সাবেক আর্সেনাল ম্যানেজার আর্সেন ওয়েঙ্গার সম্প্রতি লে ফিগারোর সঙ্গে একটি এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপ, ফ্রান্স জাতীয় দল এবং বিশ্বকাপ সূচির সম্ভাব্য সংস্কার নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেছেন, ফ্রান্সই বিশ্বকাপ জিতবে, এবং তিনি নিশ্চিত যে কিলিয়ান এমবাপ্পে এই গ্রীষ্মের বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখাবেন।
এই বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া সব তারকা খেলোয়াড়ের মধ্যে কিলিয়ান এমবাপ্পে নিঃসন্দেহে সবচেয়ে প্রতীক্ষিত নাম। টুর্নামেন্টে তিনি কেমন পারফরম্যান্স দেখাবেন?
আমি বাজি ধরতে পারি, এমবাপ্পে এই গ্রীষ্মের বিশ্বকাপে দারুণ উজ্জ্বল হবেন। এ মৌসুমে তাকে নিয়ে অনেক অন্যায় সমালোচনা হয়েছে। তিনি এমন এক রিয়াল মাদ্রিদ দলে যোগ দিয়েছেন, যা আগের মতো শক্তিশালী নয়। এখন রিয়াল মাদ্রিদে মাত্র তিন বা চারজন বিশ্বমানের খেলোয়াড় আছে, যেখানে আগে ছিল দশজন। ফুটবলের বাস্তবতা এটাই—সবসময়ই একজন বলির পাঁঠা দরকার হয়, আর এমবাপ্পে সেই ভূমিকায় পড়ে গেছেন।
কেন এমন হচ্ছে?
মিশেল প্লাতিনি এবং জিনেদিন জিদানকেও একসময় প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছিল। শীর্ষ প্রতিভা এবং যাদের কাছ থেকে অলৌকিক কিছু প্রত্যাশা করা হয়, তাদেরকেই সবচেয়ে বেশি সন্দেহের মুখে পড়তে হয়। বিশ্বকাপে দারুণ করার জন্য এমবাপ্পের সব গুণই আছে। তিনি দারুণ শারীরিক অবস্থায় আছেন এবং অতিরিক্ত ক্লান্তিতেও ভুগছেন না।
আমি এমন খেলোয়াড়দের দেখেছি, যারা বিশ্বকাপের আগে ৬০টি ম্যাচ খেলেছে। তারা আমাকে বলেছিল, “আমি অনুশীলনে উন্নতি করতে পারছি না, আর আমার পায়ে শক্তি নেই।” এমবাপ্পে তাদের মতো নন। বিশ্বকাপের আগে অনেক আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়ই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। ইউইএফএ চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল খেলার পরপরই বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখানো খেলোয়াড় আমি খুব কমই দেখেছি।
তাছাড়া, এমবাপ্পের মানসিক দৃঢ়তা এবং স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব আছে। তিনি জানেন কীভাবে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সামনে আসতে হয়, আর নিজের সেরা সময়ের জন্য অপেক্ষা করছেন। মানুষ প্রায়ই তার অসাধারণ প্রাকৃতিক প্রতিভাকে অবমূল্যায়ন করে।




