এই ফিনল্যান্ড কাপের লড়াইয়ে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের পানির ওঠানামা স্বাগতিক দলের পক্ষে একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিচ্ছে।
লাইনের দিক থেকে দেখা যায়, একাধিক প্রতিষ্ঠান একসুরে অতিথি দলকে অর্ধ গোলের হ্যান্ডিক্যাপ দিয়েছে, আর প্রাথমিক পর্যায়ে স্বাগতিক দলের পানির হার 0.95 থেকে 1.03-এর উচ্চ স্তরে ছিল। কিন্তু ম্যাচের কাছাকাছি সময়ে স্বাগতিক দলের পানির হার ধারাবাহিকভাবে নিচে নামতে থাকে; একাধিক প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক 1.00-এর আশেপাশ থেকে তা 0.95 থেকে 0.98-এ নামিয়ে আনে, এমনকি কিছু কোম্পানি 1.03 থেকে বড়ভাবে 0.96-এ কেটে দেয়। অন্যদিকে অতিথি দলের পানির হার 0.75 থেকে 0.82-এর নিম্ন স্তর থেকে বাড়িয়ে 0.85 থেকে 0.88 করা হয়। স্বাগতিক দলের পানির হার কমানো এবং অতিথি দলের পানির হার বাড়ানোর এই সমন্বিত পদক্ষেপ ইঙ্গিত দেয়, প্রতিষ্ঠানগুলো দিক পরিবর্তন করে সক্রিয়ভাবে সমন্বয় করছে, এবং অতিথি দলের জয়ের প্রতি আস্থা কিছুটা নড়বড়ে হয়ে পড়ছে।
মৌলিক দিক থেকে দেখলে, স্বাগতিক দল যদিও লিগ টেবিলে নিচের দিকে, তবে সাম্প্রতিক ১০টি মুখোমুখিতে তারা ৫ জয়, ১ ড্র ও ৪ পরাজয় করেছে, অর্থাৎ মানসিক লড়াইয়ে তারা একেবারেই পিছিয়ে নেই। চলতি মৌসুমে লিগের হোম ম্যাচেও তারা অতিথি দলের বিপক্ষে ১-৩ ব্যবধানে হেরেছিল, তবে মাঠের পারফরম্যান্সে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ছিল না। অতিথি দল যদিও লিগের শীর্ষে রয়েছে, তবু সাম্প্রতিক ৬ ম্যাচে তাদের হ্যান্ডিক্যাপ কভার রেট মাত্র ৫০ শতাংশ; বড় লাইন ভাঙার সক্ষমতা তেমন স্থিতিশীল নয়। স্কোয়াডের দিক থেকে, স্বাগতিক দলের ডান প্রান্তের উইঙ্গার চোটের কারণে অনুপস্থিত হলেও, ঘরের মাঠে খেলার যথেষ্ট প্রতিরোধ-ক্ষমতা তাদের রয়েছে। হ্যান্ডিক্যাপের পানির উল্টো স্রোত এবং মুখোমুখির আত্মবিশ্বাস মিলিয়ে স্বাগতিক দলই বেশি নজরকাড়া।