এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে জার্মানির প্রতি বাজারের আগ্রহ সম্ভবত অতিরঞ্জিত হয়েছে, আর যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে হ্যান্ডিক্যাপ ধরে রাখা আশা জাগাচ্ছে।
দলগত পূর্ণতার দিক থেকে দেখলে, জার্মানি গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হারিয়েছে। মূল গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার পায়ের সমস্যার কারণে অনুপস্থিত, ফলে রক্ষণভাগের নির্দেশনা দেওয়ার মূল ভরকেন্দ্রই নেই। এটি দলের রক্ষণাত্মক স্থিতিশীলতার জন্য সরাসরি আঘাত। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সবাই সুস্থ আছে এবং পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামতে পারবে। ঘরের মাঠের সমর্থকদের সামনে তাদের উদ্যম ও শারীরিক প্রস্তুতিও বেশি থাকবে।
সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের দিকে তাকালে, যুক্তরাষ্ট্রের শেষ ১০ ম্যাচে জয়ের হার ৫০ শতাংশ, যার মধ্যে সেনেগাল, উরুগুয়ের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষকে হারানোর ঘটনাও আছে। ঘরের মাঠে খেললে আক্রমণভাগ গড়ে ১.৮ গোল করে, তাই গোল করার ক্ষমতা ভরসাযোগ্য। জার্মানির শেষ ১০ ম্যাচে জয়ের হার যদিও বেশি, তবে হ্যান্ডিক্যাপ পারফরম্যান্স খতিয়ে দেখলে দেখা যায়, অ্যাওয়ে ম্যাচে হ্যান্ডিক্যাপ জয়ের হার ৪০ শতাংশেরও কম, আর বড় ব্যবধানের লাইন কভার করার সক্ষমতা স্থিতিশীল নয়।
ইতিহাসগত মুখোমুখি লড়াই দেখলেও, দুই দলের আগের ৬টি সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্র সামগ্রিকভাবে পিছিয়ে থাকলেও, এর মধ্যে ৩টি ম্যাচের ব্যবধান ছিল ১ গোলের মধ্যে, অর্থাৎ সহজে ভেঙে পড়ার দল নয়। বিশেষ করে প্রীতি ম্যাচের স্বভাবগত কারণেই এমন লড়াইয়ে দুই দলের গতি সাধারণত পুরোপুরি চড়া থাকে না। সব মিলিয়ে, জার্মানির বড় ব্যবধানের অডের বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সীমা ধরে রাখা নজর দেওয়ার মতো।