এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে, মৌলিক দিকগুলো বিবেচনা করলে স্বাগতিক দলের শক্তি প্রদর্শন প্রত্যাশিত।
পণ্যের দরের পরিবর্তন থেকে দেখা যায়, একাধিক ইউরোপীয় মূলধারার প্রতিষ্ঠান প্রাথমিকভাবে এক গোলের লাইন খুলেছিল, যেখানে স্বাগতিক দলের জুয়া-দর 0.96 থেকে 1.01-এর উচ্চ স্তরে কেন্দ্রীভূত ছিল। ম্যাচের আগে চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রবেশের পর, লাইনে স্পষ্টভাবে সংশোধন দেখা যায়; একাধিক প্রতিষ্ঠান এক গোল থেকে নেমে অর্ধ-এক গোলের লাইনে আসে, এবং স্বাগতিক দলের জুয়া-দরও 0.80 থেকে 0.83-এর মধ্য ও নিম্ন স্তরে নেমে আসে। এই ধরনের লাইন কমানোর পদক্ষেপ বাইরে থেকে দেখলে স্বাগতিক দলের প্রতি আস্থার ঘাটতি মনে হলেও, বাস্তবে এটি স্বাগতিক দলকে ঠান্ডা করা এবং পুঁজি বণ্টন ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করেছে, বরং উর্ধ্বপক্ষের অতিরিক্ত উত্তাপের চাপ কমিয়েছে।
মৌলিক দিক থেকে, স্বাগতিক দলের সুবিধা বেশ শক্ত। শেষ ১০ ম্যাচে তারা ৫টি জয় পেয়েছে, জয়ের হার ৫০ শতাংশ; অন্যদিকে অতিথি দল শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র ২টি জয় পেয়েছে, জয়ের হার মাত্র ২০ শতাংশ। ফর্মের পার্থক্য এক নজরেই স্পষ্ট। স্বাগতিক দলের আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই প্রান্তই তুলনামূলকভাবে বেশি ভারসাম্যপূর্ণ; গড়ে প্রতি ম্যাচে ১টি গোল করে এবং ০.৯টি গোল হজম করে, ফলে গোল পার্থক্য ইতিবাচক। অতিথি দলের ক্ষেত্রে গড়ে মাত্র ০.৬টি গোল আসে, অথচ গড়ে ১.৪টি গোল হজম করে; আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকেই স্পষ্ট দুর্বলতা রয়েছে।
ইতিহাসও স্বাগতিক দলের পক্ষে। দুই দলের আগের ৬টি মুখোমুখিতে স্বাগতিক দল ৪টিতে জয়ী হয়েছে, জয়ের হার ৬০ শতাংশেরও বেশি, যা মানসিক দিক থেকেও স্পষ্ট সুবিধা দেয়। সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০১৭ সালে; তার আগে হওয়া লড়াইগুলোতে স্বাগতিক দল একাধিকবার প্রতিপক্ষকে গোলশূন্য রেখেছে, এবং এই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের রক্ষণভাগের দারুণ অভিজ্ঞতা রয়েছে।
দলগত পরিস্থিতিতেও স্বাগতিক দল সম্পূর্ণ ফিট, ফলে পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে মাঠে নামতে পারবে। অন্যদিকে অতিথি দল তাদের মিডফিল্ডের কেন্দ্রীয় খেলোয়াড় আইমান দারদারি-কে চোটের কারণে হারিয়েছে, যা মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ আরও দুর্বল করবে। সব মিলিয়ে, লাইন কমানোটি মূলত প্রতিষ্ঠানের তহবিল ভারসাম্য রাখার কৌশল, আর স্বাগতিক দলের শক্তিগত সুবিধা স্পষ্ট।