এই আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের পরিবর্তনের দিকটি খুবই স্পষ্ট।
প্রাথমিক পর্যায়ে, একাধিক ইউরোপীয় শীর্ষস্থানীয় বুকমেকার পুশ অডস সমান রেখেছিল, স্বাগতিক দলের অডস 0.73 থেকে 0.82-এর নিচু স্তরে রাখা হয়েছিল, আর অতিথি দলের অডস সাধারণত 0.97-এর ওপরে দেওয়া হয়েছিল। তবে ম্যাচ শুরুর আগমুহূর্তে বাজারের গতিপথে গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে। কিছু প্রতিষ্ঠান পুশ অডস থেকে, এমনকি পুশ/হাফ-বল লাইন থেকেও, একীভূতভাবে আবার পুশ অডসে নেমে আসে, আর স্বাগতিক দলের অডস বরং নিম্ন স্তর থেকে বেড়ে 0.84-এর ওপরে ওঠে; কিছু কোম্পানিতে তা 0.97 পর্যন্তও পৌঁছে যায়। একই সময়ে, অতিথি দলের অডস উচ্চ স্তর থেকে ধারাবাহিকভাবে কমতে থাকে, এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে তা 0.89 থেকে 0.94-এর মধ্যে নেমে আসে। স্বাগতিক দলের অডস বাড়া এবং অতিথি দলের অডস কমার এই সমন্বয় বোঝায় যে প্রতিষ্ঠানগুলো দিক পরিবর্তনে সক্রিয়ভাবে সমন্বয় করছে, আর বাজারে অতিথি দলের প্রতি আস্থা ধীরে ধীরে জমা হচ্ছে।
প্রাথমিক পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে, স্বাগতিক দল শেষ ১০ ম্যাচে মাত্র ১টি জয় পেয়েছে, জয়ের হার মাত্র ১০ শতাংশ, এবং তাদের ফর্ম বেশই দুর্বল। রক্ষণভাগে প্রতি ম্যাচে গড়ে ২টিরও বেশি গোল হজম করছে, ফলে রক্ষণলাইনজনিত সমস্যা স্পষ্ট। অতিথি দল শেষ ১০ ম্যাচে জয়ের হার খুব বেশি না হলেও, অপরাজিত থাকার হার ৭০ শতাংশে পৌঁছেছে, এবং তাদের স্থিতিস্থাপকতা স্পষ্টতই বেশি। শক্তিশালী দলের বিপক্ষেও তারা ড্র কিংবা জয় আদায় করতে পারে, তাই চাপ সামলানোর সক্ষমতা রয়েছে।
হেড-টু-হেড পরিসংখ্যানে, দুই দল শেষ ৭ বার মুখোমুখি হয়েছে; সামগ্রিকভাবে স্বাগতিক দল সামান্য এগিয়ে থাকলেও, সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০২১ সালে, তাই এর প্রাসঙ্গিকতা সীমিত। অন্যদিকে, অতিথি দল সাম্প্রতিক সময়ে কাছাকাছি মানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে বেশ ভালো অপরাজিত থাকার হার দেখিয়েছে, এবং ড্র করার প্রবণতাও স্পষ্ট।
মানসিকতার দিক থেকে, প্রীতি ম্যাচ হওয়ায় উভয় দলের ওপর চাপ খুব বেশি নেই। স্বাগতিক দলের স্কোয়াডের সমন্বয়ে এখনও সময় লাগবে, আর অতিথি দল আগের আরব কাপে দেখানো স্থিতিশীল ধারা বজায় রেখেছে। লাইন পুশ অডসে নেমে এসে অতিথি দলের অডস কমার প্রেক্ষাপটে, অতিথি দল অপরাজিত থাকার দিকটিই অগ্রাধিকার দিয়ে বিবেচনা করা যেতে পারে।