জর্জিয়ার গত ১০ ম্যাচে জয়ের হার খুব বেশি না হলেও, বড় স্কোরের হার ৬০% পর্যন্ত পৌঁছেছে, আর ম্যাচের গতি ছিল বেশ খোলা। দলটি ঘরের মাঠে সমমানের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সাধারণত সতর্ক খেলায় যায় না; গত ৬টি হোম ম্যাচের মধ্যে ৪টিতে বড় স্কোর হয়েছে। আক্রমণভাগে ধারাবাহিকতা খুব স্থির না হলেও, রক্ষণভাগে স্পষ্ট দুর্বলতা রয়েছে—গত ১০ ম্যাচে ১৯টি গোল হজম করেছে, গড়ে প্রায় ২ গোল করে খেয়েছে, যা বড় স্কোরের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি করে।
এরপর রয়েছে বাহরাইন, যাদের খেলাধুলার ধরনও তেমন রক্ষণাত্মক নয়। বাহরাইনের গত ১০ ম্যাচে বড় স্কোরের হার ৬২.৫% এ পৌঁছেছে, এবং দলটি অ্যাওয়ে ম্যাচেও খোলা মেজাজে খেলে। গত ১০টি অ্যাওয়ে ম্যাচের ৭টিতে বড় স্কোর হয়েছে, গড়ে প্রায় ২ গোল করে হজম করেছে—অর্থাৎ রক্ষণভাগ মোটেও স্থিতিশীল নয়। বাহরাইন এশিয়ান ফুটবলে মাঝারি স্তরের দল হিসেবে বিবেচিত, আর ইউরোপীয় দলের বিপক্ষে তারা একেবারে কেবল রক্ষণে গুটিয়ে থাকে না; বরং পাল্টা আক্রমণে গোল করার কিছুটা সক্ষমতাও রাখে।
এশিয়ার বাজারের দিক থেকে, প্রধান কোম্পানিগুলোর গোলসংখ্যার লাইন ২.৫/৩ গোল, আর বড় স্কোরের পানির দর সাধারণত ০.৭৮-০.৯০-এর নিম্ন থেকে মধ্যম স্তরে বজায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলোর বড় স্কোর হওয়ার বিষয়ে সতর্কতা ও প্রতিরোধের ইঙ্গিত স্পষ্ট। দুই দলের সাম্প্রতিক বড় স্কোরের হারই ৬০ শতাংশের বেশি হওয়ার প্রেক্ষাপটে, ২.৫/৩ গোলের লাইন এবং নিচু পানির দর মিলিয়ে বাস্তবে বড় স্কোরের সম্ভাবনাই বেশি ধরা যায়।