প্রধানধারার কোম্পানিগুলো প্রাথমিকভাবে স্বাগতিক দলের জন্য সাধারণত ড্র থেকে অর্ধ গোলে এগিয়ে রাখলেও, তাৎক্ষণিক লাইন সমান হ্যান্ডিক্যাপে নেমে এসেছে। পাশাপাশি স্বাগতিক দলের জলের হার ০.৮৮-এর উপরের মধ্য-উচ্চ স্তর থেকে লাফিয়ে ০.৯৪-০.৯৭-এর উচ্চ স্তরে উঠে গেছে। আলবেনিয়ার ঘরের মাঠে খেলার প্রেক্ষাপটে এত বড় মাত্রার লাইন-কমানো ও জলের হার বাড়ানো প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে স্বাগতিক দলের জয়ের বিশ্বাস স্পষ্টভাবেই কম বলে ইঙ্গিত দিচ্ছে। সমান হ্যান্ডিক্যাপের অর্থ হলো স্বাগতিক দলের কোনো সুবিধাজনক গোল-প্রতিবন্ধকতা নেই, যা ঘরের মাঠের দলের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর সংকেত।
দ্বিতীয়ত, ইতিহাসগত মুখোমুখি লড়াইয়ে মানসিক সুবিধা রয়েছে। দুই দলের শেষ ৬টি সাক্ষাতে ইসরায়েল ৪ জয় ও ২ পরাজয়ের রেকর্ড করেছে, জয়ের হার ৬৬.৭%, মানসিক দিক থেকে তারা স্পষ্টতই এগিয়ে। সর্বশেষ দুই লড়াইয়ে ইসরায়েল অ্যাওয়ে ম্যাচে ২-১ এবং হোম ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে আলবেনিয়াকে হারিয়েছে, অর্থাৎ মুখোমুখি লড়াইয়ে তাদের সুবিধা অত্যন্ত স্পষ্ট। আলবেনিয়া ঘরের মাঠে খেললেও ইসরায়েলের বিপক্ষে তাদের কোনো বিশেষ হোম অ্যাডভান্টেজ নেই।
ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামগ্রিক ফলাফলে ওঠানামা থাকলেও, দলের আক্রমণভাগে নির্দিষ্ট মাত্রার শক্তি রয়েছে। গত ১০ ম্যাচে তারা ২০ গোল করেছে, ম্যাচপ্রতি গড়ে ২ গোল—আলবেনিয়ার বিপক্ষে গোল করার সামর্থ্য তাদের আছে। অন্যদিকে আলবেনিয়ার সাম্প্রতিক হোম পারফরম্যান্সও স্থিতিশীল নয়; শেষ ১০টি হোম ম্যাচে তারা মাত্র ৪ জয়, ২ ড্র ও ৪ হার পেয়েছে, জয়ের হার কেবল ৪০%।
সামগ্রিকভাবে দেখা যায়, স্বাগতিক দলের জন্য অর্ধ গোল থেকে সমান হ্যান্ডিক্যাপে নেমে আসা এবং উচ্চ জলের হারের পরিস্থিতিতে আলবেনিয়ার প্রতি সমর্থন স্পষ্টতই যথেষ্ট নয়। ইসরায়েল ইতিহাসগত মুখোমুখিতে এগিয়ে এবং অ্যাওয়েতে পয়েন্ট নেওয়ার সামর্থ্যও রাখে। এই ম্যাচে ইসরায়েলের অন্তত হার এড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।