এই ম্যাচটি তুলোঁ কাপের গ্রুপ পর্বের প্রথম রাউন্ডের লড়াই। দুই দলের সাম্প্রতিক আক্রমণ-রক্ষণ পারফরম্যান্স এবং ইতিহাসের মুখোমুখি লড়াই বিবেচনায়, মোট গোল ২ বা তার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা বেশ উঁচু।
প্রথমেই ইতিহাসের মুখোমুখি লড়াইয়ে বড় স্কোরের প্রবণতার কথা বলা যায়। ২০২৩ সালের তুলোঁ কাপে দুই দল একবার মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে আইভরি কোস্ট U23 জাপান U19-কে ২-১ গোলে হারায়। সেই ম্যাচে মোট ৩ গোল হয়, এবং খেলার ধরণও ছিল বেশ উন্মুক্ত। ওই ম্যাচটি আরও একবার দেখিয়ে দিয়েছিল যে দুই দলের লড়াইয়ে গোলের অভাব থাকে না।
এরপর আসে দুই দলের সাম্প্রতিক গোল করার ধারা। জাপান U19 শেষ ১০ ম্যাচে ১৯ গোল করেছে, ম্যাচপ্রতি গড়ে প্রায় ২ গোল—আক্রমণভাগে তাদের পারফরম্যান্স বেশ সক্রিয়। অন্যদিকে, আইভরি কোস্ট U23-এর সামগ্রিক ফলাফল খুব উজ্জ্বল না হলেও, তারা শেষ ১০ ম্যাচে ১৬ গোল করেছে, গড়ে ১.৬ গোল করে। তাদের বড় স্কোরের হারও ৭১.৪%, যা ম্যাচের গতি উন্মুক্ত রাখার ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, আইভরি কোস্ট U23 তাদের শেষ ১০টি অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে ৭টিতেই বড় স্কোর তুলেছে, যা অ্যাওয়ে ম্যাচে তাদের বড় স্কোর প্রবণতাকে বিশেষভাবে স্পষ্ট করে।
এশিয়ান হ্যান্ডিক্যাপের দিক থেকে, প্রধান বাজিকর প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত মোট গোলের লাইন ২.৫/৩ গোলে খুলেছে, এবং বড় স্কোরের পানির হার ০.৭৪-০.৮১-এর অত্যন্ত নিম্ন স্তরে স্থির রয়েছে। এটি স্পষ্ট করে যে প্রতিষ্ঠানগুলো বড় স্কোর হওয়ার সম্ভাবনাকে যথেষ্ট সতর্কতার সঙ্গে দেখছে। যুব দলের ম্যাচে রক্ষণভাগের সংগঠন ও অভিজ্ঞতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে, তাই গোলও সাধারণত খুব কম হয় না।