টটেনহ্যাম ১৭তম স্থানে, অবনমন অঞ্চলের চেয়ে মাত্র ২ পয়েন্ট এগিয়ে, তাই বাঁচার চাপ ভয়াবহ। তবে দলের ইনজুরি তালিকাও চোখে পড়ার মতো—রোমেরো, কুলুসেভস্কি, সিমন্স, ওডোবের্টসহ ৮ জন খেলোয়াড় অনুপস্থিত, ফলে রক্ষণ ও আক্রমণভাগের মূল ভরকেন্দ্র প্রায় শূন্য হয়ে গেছে। ঘরের মাঠের পারফরম্যান্স আরও বেশি বিপর্যয়কর: ১৮ ম্যাচে মাত্র ২টি জয়, জয়ের হার ১১.১%, ম্যাচপ্রতি ১.৭২ গোল হজম—কোনোভাবেই হোম অ্যাডভান্টেজের নামগন্ধ নেই।
এভারটন ১২তম স্থানে, অবনমন আতঙ্ক নেই, মানসিকভাবে বেশ স্বস্তিতে আছে। তাদের অ্যাওয়ে রেকর্ড ৭ জয়, ৫ ড্র, ৬ হার; অপরাজিত থাকার হার ৬৬.৭%, অর্থাৎ অতিথি মাঠে পয়েন্ট তোলার সক্ষমতা টটেনহ্যামের ঘরের মাঠে জেতার সামর্থ্যের চেয়ে স্পষ্টতই ভালো। সাম্প্রতিক ১০ ম্যাচে ওভার ম্যাচের হার ৮০%, আক্রমণভাগে ধারাবাহিক উৎপাদন রয়েছে, আর টটেনহ্যামের ক্ষতবিক্ষত রক্ষণভাগের বিপক্ষে গোল করার যথেষ্ট সুযোগও আছে। গত ১০ মুখোমুখিতে এভারটন মাত্র ১টি ম্যাচ হেরেছে, মানসিক দিক থেকেও তারা এগিয়ে।
গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ
টটেনহ্যাম এই ম্যাচে দুর্বল স্কোয়াড নিয়ে নামছে, বরং অবনমন-চাপ অনেক সময় মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। এভারটনের অ্যাওয়ে কৌশল বাস্তবভিত্তিক, লম্বা পাস ও ক্রস-কিকের আক্রমণ টটেনহ্যামের এয়ার বল রক্ষার দুর্বলতাকে ঠিকই লক্ষ্য করবে। টটেনহ্যামের ঘরের মাঠে নিষ্প্রভতা, ইনজুরিতে জর্জরিত স্কোয়াড এবং ইতিহাসগত মুখোমুখি লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকা—এই তিনটি কারণ মিলিয়ে হোম জয়ের কাজ অত্যন্ত কঠিন। এভারটনের অপরাজিত থাকার দিকটি অনুসরণ করা যেতে পারে। ড্র হওয়ার সম্ভাবনাও কম নয়।