আক্রমণ ও রক্ষণ—দুই দিকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কনফিয়ানকার শেষ ৬টি হোম ম্যাচে গড় মোট গোল ২.৮টি, আক্রমণভাগের রূপান্তর হার স্থিতিশীল; তবে রক্ষণভাগে গড়ে ১.৩টি গোল হজম করেছে, যেখানে উইং ও বায়বীয় বলের রক্ষণে দুর্বলতা স্পষ্ট। অন্যদিকে, গুরানি এসপি-র শেষ ৫টি অ্যাওয়ে ম্যাচে গড় মোট গোল ৩.২টি, রক্ষণভাগের ক্লিন শিটের হার ২০ শতাংশেরও কম; পাশাপাশি অ্যাওয়ে ম্যাচে গড়ে ১.৬টি গোল করতে পারছে, যা তাদের আক্রমণভাগের ধারাবাহিকতা ভালোভাবে তুলে ধরে। ইতিহাসগত মুখোমুখি লড়াইয়ের শেষ ৩ ম্যাচের প্রতিটিতেই মোট গোল ২টির বেশি হয়েছে; দুই দলের কৌশলগত কাঠামোতেও গভীর লো-ব্লক রক্ষণ পরিকল্পনা নেই, ফলে আক্রমণ-রক্ষণ রূপান্তরের গতি তুলনামূলকভাবে দ্রুত। অবশ্যই, ম্যাচের দিনে শুটিং দক্ষতা কমে গেলে গোল কম হওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনাও আছে, তাই একে একেবারে নিশ্চিত বলা যায় না। সামগ্রিক পরিসংখ্যানগত সমর্থনের ভিত্তিতে ওভার ২.৫।