ফ্যাব্রিজিও রোমানো তাঁর ব্যক্তিগত চ্যানেল আপডেট করে কথা বলেছেন, রিয়াল মাদ্রিদ কি এই গ্রীষ্মে এনজো ফার্নান্দেজকে দলে টানার চেষ্টা করবে কি না তা নিয়ে।

এনজোও কি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজের টার্গেটদের একজন? আপনি জানেন, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অনেক আগ থেকেই এ নিয়ে বহু আলোচনা ও গুঞ্জন চলছে। এই সম্ভাবনা সম্পর্কে আপনার কী মত?
ফ্যাব্রিজিও রোমানো: আমি নিশ্চিত করতে পারি, এনজো ফার্নান্দেজ এখনো গোপনে রিয়াল মাদ্রিদে যোগদানকে নিজের ভবিষ্যতের একটি বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করেন, এবং এটা আর গোপন কিছু নয়। আমরা সবাই জানি, মার্চ ও এপ্রিলে তিনি একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে গেছেন। এক পডকাস্টে তিনি বলেছিলেন, তিনি “একদিন মাদ্রিদে থাকতে চান”, আর তাতেই চেলসি ভীষণ অসন্তুষ্ট হয়েছিল। এরপর ক্লাবটি তাঁকে দুই বা তিনটি ম্যাচের স্কোয়াডে রাখেনি।
পরে তিনি দলে ফিরলেও, আসল সমস্যা ওই সাক্ষাৎকার ছিল না। চেলসি ও তাঁর মধ্যে নতুন চুক্তি নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি, আর আজও দুই পক্ষ চুক্তির অনেক দূরে রয়েছে। এ কারণেই এনজোর ঘনিষ্ঠদের বিশ্বাস, রিয়াল মাদ্রিদই এখনও তাঁর স্বপ্নের গন্তব্য।
এ মুহূর্তে চেলসি পুরো বিষয়টি নিয়ে সম্পূর্ণ নীরব রয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ এখনও পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠায়নি বা চেলসির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগও করেনি। স্প্যানিশ ক্লাবটি আপাতত অন্য খেলোয়াড়দের দিকে মনোযোগ দিচ্ছে, তবে এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তারা এনজো ফার্নান্দেজকে অত্যন্ত পছন্দ করে।
রিয়াল মাদ্রিদের ট্রান্সফার বাজেট কীভাবে সাজানো হবে, তা আমাদের অপেক্ষা করে দেখতে হবে। ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ যে ব্লকবাস্টার সাইনিংয়ের কথা বলেছেন, সেটির খরচ ১৫০ মিলিয়ন ইউরো বা তারও বেশি হতে পারে। ডেনজেল ডামফ্রিস ও ইব্রাহিমা কোনাতেকে দলে টানার পাশাপাশি ক্লাবটি আরেকজন ডিফেন্ডারও সই করাতে চায়। তাই এই পজিশনগুলোতে রিয়াল মাদ্রিদের খরচ এবং মিডফিল্ডে সই করানোর জন্য কত বাজেট অবশিষ্ট থাকে, সেটি নজরে রাখতে হবে।
আমি নিশ্চিত, চেলসি যদি এই গ্রীষ্মে এনজো ফার্নান্দেজকে বিক্রি করার সিদ্ধান্তও নেয়, তবু যে কোনো ক্লাব তাঁর পেছনে নামলে তারা সেটা সহজ হতে দেবে না।




